রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:১৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মাধ্যমে উদযাপিত হলো পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী হবিগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের সাইনবোর্ড চুরির ঘটনায় এক আসামী গ্রেফতার জিন বিজ্ঞানী ড. আবেদ চৌধুরীর উপহারে হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হলো জার্ম প্লাজম কার্যক্রম প্রাণনাশের শঙ্কায় চাইলেন নিরাপত্তা- বিএনপি নেতা ফজলুর রহমান, হবিগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের ডিজিটাল সাইনবোর্ড চুরি বাংলাদেশে কুচিপুড়ি নৃত্যের অগ্রদূত গৌতম দাশ সুমন হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হবিগঞ্জ পৌরসভায় জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্টিত শিশু আছিয়ার হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে হবিগঞ্জের শিল্পী সমাজের মানববন্ধন হবিগঞ্জে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত।

৭ মার্চের ভাষণ লিখিত ছিল না : প্রধানমন্ত্রী

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৭
  • ১১৭৪ বার পঠিত
ফাইল ছবি

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ লিখিত ছিল না বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ইউনেসকো কর্তৃক ৭ মার্চের ভাষণকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ ডকুমেন্ট স্বীকৃতি প্রদান উপলক্ষে আয়োজিত নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, পৃথিবীর অনেক নেতাই অনেক ভাষণ দিয়েছিলেন। সেই ভাষণগুলো ছিল লিখিত। একটি মাত্র ভাষণ যার কোনো লিখিত ছিল না। এমনকি নোটও ছিল না। প্রতিটি কথাই তিনি বলে দিয়েছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি জাতিকে তিনি জাগ্রত করেছিলেন আন্দোলন-সংগ্রামে। সেদিনের ভাষণের কথা মনে হলেই আমার মনে পড়ে আমার মায়ের কথা।

তিনি বলেন, অনেক লিখিত বক্তব্য বাবার হাতে দেয়া হয়েছিল। মা বাবাকে বলেছিলেন, তুমি সেই কথা বলবে, যা তোমার মনের কথা।

বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে ভাষণ শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বক্তব্যের শুরুতেই স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতা আন্দোলনে বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান। ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট নিহত বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্য এবং জেলহত্যার শিকার ৪ জাতীয় নেতার প্রতিও শ্রদ্ধা জানান তিনি।

এর আগে শনিবার দুপুর ২টা ৩৯ মিনিটে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশ মঞ্চে আসন গ্রহণ করেন। নৌকার আদলে নির্মিত মঞ্চে দাঁড়িয়ে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে সভাপতিত্ব করেন ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান।

এর আগে সকাল থেকেই খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে আওয়ামী লীগ, এর বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠন, বিভিন্ন সামাজিক ও ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ব্যানার নিয়ে সমাবেশে আসতে শুরু করে। দুপুরের মধ্যেই কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। সমাবেশস্থল ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের আদলেই সাজানো হয়।

এসময় বাংলা একাডেমি চত্বরে ঢাকা লিট ফেস্টও চলে সুশৃঙ্খলভাবে। তিন দিন ব্যাপি এ উৎসবের আজ শেষদিন। একদিকে নাগরিক সমাবেশ অন্যদিকে চলে আন্তর্জাতিক সাহিত্য উৎসব।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved  2020
Theme Developed BY ThemesBazar.Com