শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২০, ০১:৫৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে এ মুহূর্তে কিছু বলা যাচ্ছে না-শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। করোনায় আক্রান্ত হবিগঞ্জ-৩ আসনের সাংসদ এডভোকেট মো. আবু জাহিরকে হেলিকপ্টারে ঢাকায় প্রেরণ ফ্রান্সের পন্য বয়কটের দাবীতে মুসলিম ছাত্র সমাজের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।  দুর্গা পুজায় লাখাই প্রেসক্লাব ও অনলাইন প্রেসক্লাবের শুভেচ্ছা বিনিময় ও মাস্ক বিতরণ নিক্সন চৌধুরীর আট সপ্তাহের জামিন লাভ শহীদ শেখ রাসেলের ৫৭তম জন্মদিন পালিত হবিগঞ্জে বনপা’র ৮ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত। ১৫ অক্টোবর বনপা’র ৮ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী : পালিত হবে জেলায় জেলায় রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর জন্মদিন আজ কবি শামসুর রাহমানের ৮৯তম জন্মদিন আজ

বাল্যবিবাহ রোধ করতে হবে সম্মিলিতভাবে

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৭
  • ১৫৫ বার পঠিত
ফাইল ছবি

ইদানীং পত্রপত্রিকায় বাল্যবিবাহ প্রতিরোধের খবর যখন আমাদের আশান্বিত করে তুলছিল, তখন এই ৪৫ জন ছাত্রীর বিয়ের কারণে পরীক্ষায় না বসার খবরটি আমাদের উদ্বিগ্ন না করে পারে না।

শুক্রবার প্রথম আলোয় প্রকাশিত এক খবরে বাল্যবিবাহের কারণে এই ৪৫ জন ছাত্রীর পরীক্ষায় না বসার বিষয়টি জানা যায়। খবর অনুযায়ী, এই ছাত্রীরা যেসব স্কুলে এত দিন পড়ালেখা করে আসছিল, সেসব স্কুলে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নিয়মিত নানা সচেতনতামূলক সভা করা হয়। শ্রেণিকক্ষে বাল্যবিবাহের শারীরিক ও মানসিক ক্ষতিকর দিক তুলে ধরে ছাত্রছাত্রীদের ধারণা দেওয়া হয়। কিন্তু এসব উদ্যোগ যে খুব একটা কাজে আসেনি, ৪৫ জন ছাত্রীর বাল্যবিবাহের শিকার হওয়াই তার প্রমাণ।

তাহলে করণীয় কী? চলতি বছরেই দেশে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে আইন হয়েছে। তবে ওই আইনের একটি বিশেষ বিধান অনুযায়ী, কোনো বিশেষ প্রেক্ষাপটে অপ্রাপ্তবয়স্কের সর্বোত্তম স্বার্থে, আদালতের নির্দেশে এবং পিতা-মাতা বা অভিভাবকের সম্মতিক্রমে বাল্যবিবাহ হলে তা অপরাধ বলে গণ্য হবে না। হতে পারে এই ৪৫ জন ছাত্রীর অভিভাবকেরা ওই বিশেষ বিধানের সুযোগ নিয়ে তাদের বাল্যবিবাহ দিয়েছেন।

আমরা মনে করি, কোনো অবস্থায়ই বিয়ের বয়সের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া যাবে না। জরুরি ভিত্তিতে এ আইনটি সংশোধন করা হোক। এর পাশাপাশি ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের মধ্যে বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। তাঁদের জন্য নিয়মিত আলোচনা সভার আয়োজন করতে হবে, যেখানে তাঁরা বাল্যবিবাহের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জানতে পারবেন। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাগুলো ও সুশীল সমাজের সদস্যরা এ ব্যাপারে উদ্যোগ নিতে পারেন।

 বাল্যবিবাহ রোধের পাশাপাশি এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তির আওতায় আনা হোক।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved  2020
Theme Developed BY ThemesBazar.Com