
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি : র্যাব-৯ এর ভেজাল বিরোধী অভিযানে হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জে ১১টি প্রতিষ্ঠানকে ১,৬০,০০০/- টাকা জরিমানা ।
র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) এলিট ফোর্স হিসেবে আত্মপ্রকাশের স‚চনালগ্ন থেকেই বিভিন্ন ধরনের নৃশংস ও ঘৃণ্যতম অপরাধ বিশেষ করে মাদক উদ্ধার, হত্যা মামলা, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, জঙ্গি দমন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, টিকেট কালোবাজারি রোধ ও ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন অপরাধীদের গ্রেফতারে অগ্রণী ভ‚মিকা পালন করে আসছে। এছাড়াও যে কোন ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধে র্যাবের প্রতিটি সদস্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে জনসাধারণের জন্য একটি নিরাপদ বাসযোগ্য সমাজ তথা দেশ বিনির্মাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর বিধি অনুযায়ী পণ্যের মোড়ক ব্যবহার করা, মূল্যের তালিকা প্রদর্শন করা, সেবার ম‚ল্যের সঠিক তালিকা সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করা, খাদ্য দ্রব্যে নিষিদ্ধ দ্রব্য মিশ্রণ না করা, অবৈধ প্রক্রিয়ায় পণ্য উৎপাদন না করা, বাটখারা বা ওজন পরিমাপক যন্ত্রে কারচুপি না করা এবং সেবা গ্রহীতার জীবন বা নিরাপত্তা বিপন্ন কার্য না করার কথা থাকলেও কতিপয় প্রতিষ্ঠান তা মানছে না। উক্ত আইন লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে কারাদÐ, আর্থিক জরিমানা অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত করার বিধান রয়েছে। এই অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে র্যাব-৯ গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।
এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯, সিপিসি-৩, শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্প, হবিগঞ্জ ও চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত, হবিগঞ্জ এর একটি যৌথ আভিযানিক দল অদ্য ১৪/০৩/২০২৬ খ্রি. তারিখ আনুমানিক ১১.০০ হতে ১৩.০০ ঘটিকা পর্যন্ত হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ থানা এলাকার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করে পণ্যের মোড়ক ব্যবহার না করা, বাটখারা বা ওজন পরিমাপক যন্ত্রে কারচুপি করা এবং সেবা গ্রহীতার জীবন বা নিরাপত্তা বিপন্ন করা ইত্যাদি অপরাধের দায়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৩৭, ৪৭ ও ৫২ ধারায় ০১। আল খলিফা রেস্টুরেন্ট এর ম্যানেজার সেলিম মিয়াকে ২০ হাজার টাকা, ০২। পানাহার হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট এর ম্যানেজার শাহনুরকে ৩০ হাজার টাকা, ০৩। শাহজালাল ফুডস্ এন্ড লাইভ বেকারীর ম্যানেজার জামালকে ১০ হাজার টাকা, ০৪। নিউ ধানসিড়ি রেস্তোরার ম্যানেজার মোশারফ হোসেনকে ৩০ হাজার টাকা, ০৫। হাসের বাড়ি রেস্টুরেন্ট এর ম্যানেজার গোলাপ মিয়াকে ৫ হাজার টাকা, ০৬। আল মদিনা রেস্টুরেন্ট এর মালিক সেলিম মিয়াকে ২০ হাজার টাকা, ০৭। নিউ শেরাটন হোটেল এর মালিক হামিদুল হককে ১০ হাজার টাকা, ০৮। শাহজালাল রেস্টুরেন্ট এর ম্যানেজার মোঃ ছালেককে ১০ হাজার টাকা, ০৯। লোকনাথ মিস্টান্ন ভান্ডারের মালিক রনজিৎ ধরকে ১০ হাজার টাকা, ১০। অথিতি সুইটস্ এর মালিক চন্দ্র ধরকে ৫ হাজার টাকা এবং ১১। মিম কোয়ালিটি ফুড এর ম্যানেজার রিয়াজকে ১০ হাজার টাকাসহ সর্বমোট ১,৬০,০০০/- টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়াও দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে র্যাব-৯ এর চলমান গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযানের পাশাপাশি জনস্বার্থে এই ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।