
প্রেস বিজ্ঞপ্তি – ‘প্রতিভা বিকশিত হোক ছন্দে আনন্দে’ এই স্লোগান কে সামনে রেখে নৃত্যকুড়ি নৃত্যালয় হবিগঞ্জ এর ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ২৫জানুয়ারি ২০২৬ইং রোজ রবিবার সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় নৃত্যউৎসব ও গুনীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় কেন্দ্রীয় কচি-কাচাঁর মেলা মিলনায়তন, সেগুনবাগিচা, ঢাকায়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাসন রাজা খ্যাত সিলেটের কৃতিসন্তান চিত্রনায়ক জনাব হেলাল খান, আহবায়ক- বাংলাদেশ সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটি। মডেল উর্মি আহম্মেদ ও এডভোকেট সায়লা পারভীন এর সঞ্চালনায়- উপস্থিত অতিথিগনদের নিয়ে প্রদিপ প্রজ্জলনের মাধ্যমে প্রতিষ্টা বার্ষিকী ও কুচিপুড়ি নৃত্যানুষ্টানের শুভ উদ্ভোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানের মূলপর্ব শুরুর আগেই আপোষহীন দেশনেত্রী মরহুমা বেগন খালেদা জিয়া ও পূর্ববর্তী প্রয়াত নৃত্যগুরু মহোদয়গনের প্রতি সম্মানার্থে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।
অতিথিদেরকে উত্তরিও দিয়ে বরণ করে নেয় নৃত্যকুড়ি নৃত্যালয়ের শিক্ষার্থী তোরসা, চৈতী, অর্না, বৃদা,তাথৈ, তিথি, অন্নপূর্ণা ও কৃতিকা। প্রতিষ্টা বার্ষিকীর বিশেষ স্মারনিকা উদ্বোধন করেন বিশেষ অতিথি জনাব জাকির হোসেন রোকন, সদস্য সচিব বাংলাদেশ সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটি। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী পরিচালনা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হওয়ায়- ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের নৃত্যকলা বিভাগের চেয়ারপার্সন নৃত্যশিল্পী জনাব তামান্না রহমান ও বাংলাদেশ একাডেমী অব ফাইন আর্টসের অধ্যক্ষ জনাব ফারহানা চৌধুরী বেবীকে সংবর্ধনা প্রধান করা হয়। এ সময় সম্মানিত অতিথিদের কে নৃত্য উৎসবের স্মরনিকা প্রদান করেন নৃত্যকুড়ি নৃত্যালয়ের সহযোগী সদস্য শিল্পী রানী দাশ, আভা রানী দাশ, মনি রানী, সনজয় দাশ, কৃপেশ সূত্রধর, বর্নালী সূত্রধর, অপর্ণা রানী দাশ।
অনুষ্টানের শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য রাখেন নৃত্যকুড়ি নৃত্যালয়ের সাধারণ সম্পাদক জনাব সাইফুদ্দিন জাবেদ ও শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন হবিগঞ্জের সুরবিতানের সাধারণ সম্পাদক জনাব আবুল ফজল। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি চিত্রনায়ক জনাব হেলাল খান বলেন- সংস্কৃতি একটি জাতির চেতনা ও আত্মপরিচয়ের প্রধান বাহন। বিশেষ করে কুচিপুড়ির মতো আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত উচ্চাঙ্গ নৃত্যকে বাংলাদেশে পরিচিত ও প্রতিষ্ঠিত করার প্রয়াস আমাদের সংস্কৃতিকে বিশ্বদরবারে নতুনভাবে উপস্থাপনের পথ সুগম করবে। আমি প্রত্যাশা করি নৃত্যকুড়ি নৃত্যালয় দেশীয় ও আন্তর্জাতিক নৃত্যকলার উন্নয়ন ও প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- বাংলাদেশ নৃত্যশিল্পী সংস্থার উপদেষ্ঠা এবং একুশে পদক প্রাপ্ত নৃত্যগুরু আমানুল হক, বাংলাদেশ নৃত্যশিল্পী সংস্থার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নৃত্যশিল্পী মাহফুজুর রহমান, বাংলাদেশ নৃত্যশিল্পী সংস্থার সহ-সভাপতি নৃত্যশিল্পী সেলিনা হক, কত্থক নৃত্যসম্প্রদায় এর নৃত্যগুরু সাজু আহমেদ, ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের নৃত্যকলা বিভাগ চেয়ারপার্সন নৃত্যশিল্পী তামান্না রহমান. বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী পরিচালনা পরিষদের সদস্য ও বাংলাদেশ একাডেমী অব ফাইন আর্টসের অধ্যক্ষ ফারহানা চৌধুরী বেবী, নৃত্যশিল্পী ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক সম্পাদক নিলুফার ওয়াহীদ পাপরী, নৃত্যশিল্পী সোহেল রহমান, নৃত্যকলা বিভাগ শান্ত মারিয়াম ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক নৃত্যশিল্পী- আফরিনা আফরোজ চৌধুরী, নৃত্যকুড়ি নৃত্যালয়ের উপদেষ্টা মোজাম্মেল হক বাবুল, সহ-সভাপতি জামাল উদ্দিন সিপন প্রমূখ। আলোচনা সভার সমাপনী বক্তব্য রাখেন সম্মানিত সভাপতি, বাংলাদেশের শাস্ত্রীয় কুচিপুড়ি নৃত্যের প্রতিষ্টাতা একমাত্র অগ্রদূত এবং নৃত্যকুড়ি নৃত্যালয় হবিগঞ্জ এর প্রতিষ্টাতা পরিচালক জনাব গৌতম দাশ সুমন। নৃত্যকুড়ি নৃত্যালয় হবিগঞ্জ এর সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন বিপ্রেশ দাশ।